কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দেওয়া ১৯৫২-র শহীদদের স্মৃতি। ২১ ফেব্রুয়ারি এখানে ফুলের স্তূপ জমে, দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
ইতিহাসের স্মৃতিসৌধ, হাজার বছরের মন্দির-মসজিদ, সবুজ বন আর সাগর, হাতে-বোনা শাড়ি আর রঙিন রিকশা। সবই এক জায়গায়, আঁকা ছবিতে।
ছবিগুলো দেখুনবাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দেওয়া ১৯৫২-র শহীদদের স্মৃতি। ২১ ফেব্রুয়ারি এখানে ফুলের স্তূপ জমে, দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
স্থপতি লুই কানের নকশায় কংক্রিটের বিশাল জ্যামিতিক ভবন, লেকের জলে যার ছায়া পড়ে। বিশ্বের সেরা আধুনিক স্থাপত্যের একটি।
বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকার নবাবদের গোলাপি প্রাসাদ। গম্বুজ আর সিঁড়ির এই বাড়ি এখন জাদুঘর।
১৬৭৮ সালে শুরু হওয়া মুঘল দুর্গ, কখনো শেষ হয়নি। ভেতরে বিবি পরীর সমাধি, মসজিদ আর দিওয়ান-ই-আম।
পঞ্চদশ শতকে খান জাহান আলীর গড়া মসজিদ। নাম ষাট গম্বুজ হলেও গম্বুজ আসলে ৭৭টি। বাগেরহাটের মসজিদ নগরী ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য।
আঠারো শতকের তিনতলা মন্দির, গায়ে হাজারো পোড়ামাটির ফলক। রামায়ণ-মহাভারতের গল্প আর গ্রামজীবন খোদাই করা।
অষ্টম শতকের সোমপুর মহাবিহার, হিমালয়ের দক্ষিণের বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহারগুলোর একটি। ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য।
মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে সাতটি ত্রিকোণ ফলকের স্মৃতিসৌধ। সাত ফলক স্বাধীনতার পথের সাতটি ধাপ বোঝায়।
চীনামাটির টুকরোর তারা-নকশায় মোড়া সাদা-নীল মসজিদ। পুরান ঢাকার সবচেয়ে চোখ-ধাঁধানো জায়গাগুলোর একটি।
নিজেদের টাকায় গড়া ৬.১৫ কিলোমিটারের দোতলা ইস্পাতের সেতু। ২০২২ সালের ২৫ জুন খোলে, দক্ষিণ-পশ্চিমকে রাজধানীর সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো নগর-ধ্বংসাবশেষের একটি, প্রাচীন পুণ্ড্রনগর। মাটির উঁচু প্রাচীরের ভেতরে ইটের মন্দির-ভিত আর আড়াই হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস।
মধ্যযুগে বাংলার এক রাজধানী। পানাম নগরের পথের দুই ধারে উনিশ শতকের বণিকদের গড়া খিলান-জানালার ইটের বাড়ি, এখন নীরব আর জীর্ণ।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন, ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য। জোয়ার-ভাটার খাল আর শ্বাসমূলের ফাঁকে ঘোরে রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
প্রায় ১২০ কিলোমিটার লম্বা, বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সৈকতগুলোর একটি। বঙ্গোপসাগরে সূর্যাস্ত দেখার সেরা জায়গা।
ঢেউ-খেলানো টিলায় সবুজ সারি, মাথায় ঝুড়ি নিয়ে পাতা তোলেন চা-শ্রমিকেরা। শ্রীমঙ্গল বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী।
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। নারকেল গাছ, স্বচ্ছ নীল জল আর প্রবালের ফাঁকে সাঁতার কাটে সবুজ কচ্ছপ।
বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। বর্ষায় বিল-ঝিল ভরে যায় সাদা শাপলায়, ফড়িং আর পানকৌড়ির ডাকে।
মেঘের সমুদ্রের ওপরে বাঁশের মাচাঘর। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঘরবাড়ি আর ভোরের কুয়াশা এখানকার সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য।
একই সৈকত থেকে সাগরের ওপর সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দুটোই দেখা যায়, তাই এর নাম সাগরকন্যা। চওড়া বালুর তীরে নারকেল গাছ আর জেলে-নৌকা।
দেশের একমাত্র মিঠা পানির জলাবন বলে পরিচিত। বর্ষায় গাছগুলো হাঁটুজলে দাঁড়ায়, আর ছোট নৌকায় গাছের ফাঁক দিয়ে ভেসে যাওয়া যায়।
খাসিয়া পাহাড়ের কোলে পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ জল। নদীর পাথরের স্তূপ, লম্বা নৌকা আর ওপারের মেঘালয়ের নীল পাহাড় মিলে এই ছবি।
রঙিন হুড, ফুল-পাখি আর সিনেমার ছবিতে আঁকা পেছনের ফলক। ঢাকাকে বলা হয় বিশ্বের রিকশা-রাজধানী।
তালি-দেওয়া পাল, বাঁশের লগি আর ছইয়ের নিচে ছায়া। নদীর দেশের সবচেয়ে পুরোনো বাহন, আজও হাওর-নদীতে চলে।
বাংলাদেশের জাতীয় মাছ, রুপোলি ইলিশ নদীর ঢেউয়ে লাফায়। ২০১৭ সালে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) স্বীকৃতি পায়। পদ্মা-মেঘনার মোহনার চাঁদপুর ইলিশের শহর।
হাতে বোনা মিহি মসলিন-ধারার শাড়ি, তাঁতেই বোনা হয় নকশা। ২০১৩ সালে ইউনেস্কো একে মানবজাতির অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘোষণা করে।
নববর্ষের সকালে সূর্য, মাছ আর পশুপাখির বিশাল রঙিন মুখোশ নিয়ে শোভাযাত্রা। ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় ওঠে।
একতারা হাতে ঘুরে বেড়ানো বাউলের গান, মানুষ আর মনের কথা। লালন ফকিরের আখড়া কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায়। ইউনেস্কো অধরা ঐতিহ্য তালিকায় আছে।
সব ছবি এই সাইটের জন্য আঁকা নকশা, আসল ছবি নয়। আসল রূপ দেখতে নিজে ঘুরে আসুন।